Merajnagor, Kadamtali, Dhaka-1362 EIIN. No-107891, School Code-1093
Hajee Shariat Ullah Adarshsa High School is an educational establishment that is located at Meraj Nagar Meraj Nagar Kadamtali Dhaka-1362. Its Educational Institute Identification Number or EIIN, is 107891. On 01 January 1996, it was first put into operation. The alternative name for Hajee Shariat Ullah Adarshsa High School is NO AR Who. It is a Combined sort of co-educational program. The institution provides education in the following fields: Business Studies, Humanities, and Science.
Its MPO number is 2602171304. It operates on 2 shifts. Its management is Managing. Its recognition is Recognized by the government and the recognition level is Secondary. The school/college has an MPO level with MPO number 2602171304 and the MPO type is Yes. Hajee Shariat Ullah Adarshsa High School is under the Dhaka Education Board.
While many other high schools teach numerous disciplines, you can find the major disciplines that they teach in this high school as Business Studies, Humanities, and Science. The management type of this institute is Managing. The region in which it is located is Metropolitan with a geographic location as Plain Land. The institute is in the constituency no 4. The average age of the teachers at Hajee Shariat Ullah Adarshsa High School is 49 years.
অত্র বিদ্যালয়ের যার দানে ধন্য হাজী মোঃ শরিয়ত উল্লাহ ১৯২২ সালে যাত্রাবাড়ী থানার মাতুয়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল গণি ও মাতার নাম ফুল বানু। ৭ ভাই বোনের মধ্যে তিনিই বড় শৈশব কালে স্থানীয় বিদ্যালয়ে পড়াশুনার পাশাপাশি সাংসারিক কাজে তিনি পিতা- মাতাকে সহযোগিতা করতেন। তিনি খুব মেধাবী এবং উত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। মানুষের বিপদে আপদে সর্বদা সহযোগিতা করতেন। এলাকার রাস্তাঘাট নির্মাণ, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল তৈরিতে বিশেষ অবদান রেখেছেন। মাতুয়াইল কবরস্থানের প্রাচীর নির্মাণ করে কবরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছেন। তিনি কবরস্থানে মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং ১৯৭২ সালে এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে ঐ মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাতুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে চলাচলের কোন রাস্তা ছিলনা ১৯৬৫ সালে জমি ক্রয় করে রাস্তা নির্মাণ করে স্কুলের ছাত্র- ছাত্রীদের চলাচলের ব্যবস্থা করেন এবং স্কুলের ইমারত তৈরির কাজ আরম্ভ করেন। তিনি ২৮ বৎসর বয়সে অর্থাঃ ১৯৫০ সালে একই গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মোসাম্মৎ আজমেরী বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
মেরাজনগর এলাকায় যখন সবেমাত্র বসতি স্থাপন শুরু হয়েছে তখন এলাকার মানুষ একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অভাব দারুন ভাবে অনুভব করেছিল। এমতাবস্থায় এলাকাবাসী ১৯৯১ সালে হাজী সাহেবের বাড়িতে গিয়ে তাদের সমস্যার কথা বলেন। হাজী সাহেব নবগঠিত আবাসিক এলাকার ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন। এই সফল মানুষটি তার প্রিয়জনদের কাঁদিয়ে ২০০১ সালের ৮ জুলাই মৃত্যু বরণ করেন।
উচ্চ শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমিক ধাপ হচ্ছে মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়। মেধা বিকাশের স্তরটিও কিন্তু এই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হইতে সৃষ্টি হয়। কাজেই এই স্তরের গুরুত্ব অপরিসীম। উপযুক্ত জ্ঞান অর্জনের জন্য চাই উপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
হাজী শরীয়ত উল্লাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি ইতিমধ্যে জে.এস.সি এবং এস.এস.সি পরীক্ষায় পর্যাপ্ত পরিমান জিপিএ-৫ শতভাগ ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়ে একটি আদর্শ এবং যোগ্যতার বিদ্যাপিঠে পরিণত হয়েছে। রায়েরবাগ হতে পূর্ব কদমতলী পর্যন্ত নবগঠিত আবাসিক এলাকার জনসাধারনের একমাত্র আশা এবং ভরসার স্থল হচ্ছে আমাদের এই বিদ্যালয়টি।
এই বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদের সকলের। কেবল আমরাই পারি এই বিদ্যালয়টিকে দেশের সেরা বিদ্যালয়ে পরিণত করতে। এই জন্য চাই প্রতিজ্ঞা, সহযোগিতা ও দৃঢ় মনোবল এবং বৃহত্তর ঐক্য। আসুন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিদ্যালয়ের পরিবেশ এবং লেখাপড়ার মান উন্নয়নে কাজ করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই।
পরিশ্রমী ছাত্র মানেই প্রকৃত মেধাবী, তাদের কোচিং নির্ভরশীল হতে হয় না। কর্মজীবনের সকল পরীক্ষায় তারা সফল হয়।
প্রকৃত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী বিনির্মানে আমরা বদ্ধ পরিকর। এই বিদ্যালয়ে বেছে বেছে পাঠদান করা হয় না। সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্য বইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ানো হয়। ফলে বইয়ের যেকোন প্রশ্নই করা হোক না কেন আমাদের ছাত্র-ছাত্রীগণ উত্তর দিতে পারে।
পরিশেষে বলতে চাই, কে বিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছে সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হচ্ছে বিদ্যালয়টি আমাদের। এটা আপামর জনসাধারনের দল-মত জাত-পাত নির্বিশেষে আমরা এই বিদ্যালয়ের পরিচর্যা করে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।